একটি সফল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র এই তিনটি স্তর একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা যদি ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে একটি দল হিসেবে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সফল সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটা বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর দিয়ে বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। এ সরকারের সবাই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, বিগত পনের বছরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যেভাবে দুর্বল, অকার্যকর বা আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল, সেগুলো পুনরায় সচল ও কার্যকর করতে সরকার এখন নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো ঠিক করা নয়; বরং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা।
গ্রামের মানুষের কষ্টে থাকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের কষ্ট লাঘব করা রাষ্ট্র, সমাজ ও সচেতন নাগরিক সবারই দায়িত্ব। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে গ্রামের মানুষের কষ্ট দূর করতে সরকার কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে সরকারের মূল অগ্রাধিকার বলে জানান মির্জা ফখরুল।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করলেই বিএনপির নির্বাচনী ইশতিহার ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগই হতে পারে পরিবর্তনের প্রধান চালিকা শক্তি।


