আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, সরকারের উপর দেশি বিদেশি কোনো চাপ নেই।
শুক্রবার সকালে মাগুরার নবগঙ্গা পার্কে জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সব দল একমত এবং তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণে প্রস্তুত।’ এবার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ সময় আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি জানান, গত ১৭ বছরে হাসিনার সময় কেউ ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ টাকার বিনিময়ে সব নির্বাচন করেছে, ভোট কারচুপি করেছে।
‘এবার এর কিছুই ঘটবে না বরং জনগণ ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে’- বলে আশ্বাস দেন শফিকুল আলম।
সদ্য চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়া ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এতে যেমন সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে এসেছে ঠিক তেমনই জাতীয় নির্বাচনে সবাই ভোট দিতে আসবেন।’
গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা পুরো বাংলাদেশকে ‘শেখ পরিবারের জমিদারী’ বানিয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ে যারা আত্মদান করলেন তাদের হাত ধরেই দেশ নতুন একটি গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত হচ্ছে । আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে সেটি চূড়ান্ত রূপ পাবে।’
আগামী নির্বাচনে ‘না ভোট’ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ‘যদি কোথাও একজন প্রার্থী থাকে, তবে সেখানে ‘না ভোট’ হবে। এটি আরপিওতে উল্লেখ আছে। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আর কারও নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই। গণভোট হবে তবে কখন হবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন তা ঠিক করবে।’


