স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িপাল্লার ব্যানার, ফ্যাস্টুন ছিঁড়ে ফেলে এজেন্টদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি পোলিং ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রভাবিত করে দলীয় লোক দিয়ে আবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ষড়যন্ত্র চলছে। তাই প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই, যদি শেরপুর-৩ আসনে আবার ইঞ্জিনিয়ারিং চলে, তাহলে আমরা রাজপথে দাঁড়িয়ে যাব।’
স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গণভোটে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। এখন বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে সেই রায়কে বাতিল করতে যা যা করার দরকার তাই করছে। মানুষ আস্তে আস্তে ভুলে যায়, আস্তে আস্তে উল্টা চলে, কিন্তু তারা একমাসের আগেই উল্টা চলছে। এমন কোনো মানুষকে ভোট দেওয়া যাবে না, এমন কোনো হাতকে শক্তিশালী করা যাবে না, যারা পার্লামেন্টে গেলে জনগণের সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করে, ফ্যাসিস্টদের হাতকে শক্তিশালী করে। তাই তাদের বর্জন করতে হবে।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা।
উল্লেখ্য, জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। নতুন তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মাকসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার রয়েছেন।


