মাদকের চোরাচালান ও প্রসার রোধ করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘নির্মোহভাবে শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা আমরা প্রস্তুত করব। ট্রাস্কফোর্স কমিটি নির্মোহভাবে মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়িদের তালিকা তৈরি করবে। তার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিসের হাসিনা? কোথায় বক্তব্য দিয়েছে? তার চেহারা কি দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়।’
তিনি মনে করেন, ‘তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।’
তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমাও চায়নি মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। তাই এ দেশে তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বাংলাদেশের মানুষ কখনো দেবে না। বাংলাদেশের জনগণ তাদের রাজনীতি করার অনুমতি কোনোদিনই দেবে না।’
‘তারা বিদেশ থেকে মাঝেমধ্যে উঁকিঝুঁকি দিতে পারে, চিৎকার-চেঁচামেচি করতে পারে। তবে আমরা এসবকে আর গুরুত্ব দিচ্ছি না’, বলেন তিনি।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপহরণের মতো অপরাধ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অপহরণসহ এ ধরনের অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় স্থানে ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে অপহরণের মতো ঘৃণ্য অপরাধগুলো কার্যকরভাবে দমন করা বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।’
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ, শামীম আরা স্বপ্ন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


