সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন।
রোববার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা বলেছেন, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও যেসব প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছেন।
সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এর আগে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে মিছিল নিয়ে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা।

এর আগে শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা অধিকারবঞ্চিত হয়েছি। অনেক কষ্ট ও সংগ্রাম করে আমরা এতদূর এসেছি। সরকারের কাছে অনুরোধ, আমাদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক।’
আন্দোলনকারীদের দাবি, ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়সংগতভাবে পুনর্বিবেচনা করে তাদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ প্ল্যাটফর্মের দাবি, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সবশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় এক হাজার ৫০০ প্রার্থীর নিয়োগপত্র এখনো ইস্যু হয়নি। ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ প্ল্যাটফর্মও একই দাবি করেছে। বাদ পড়ার সুস্পষ্ট কারণ জনসম্মুখে প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। গত শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।


