নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লটে অভিবাসন দমন অভিযানের প্রথম দিনেই অন্তত ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ডার পেট্রোল। রোববার এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার এ তথ্য নিশ্চিত করে রয়টার্সকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের গণ–নির্বাসন অভিযানে এটি বড় ধরনের তৎপরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বর্ডার পেট্রোলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গ্রেগরি বোভিনো রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, শনিবার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এজেন্টরা তাদের গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অনেকেরই ‘গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ ও অভিবাসন সংক্রান্ত’ ইতিহাস রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বোভিনো।
রয়টার্স রোববার বর্ডার পেট্রোল, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এবং তাদের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির সাথে যোগাযোগ করতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি।
এই অভিযানের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সন্দেহে কাউকে আটক করতে গেলে নাগরিকরা অভিবাসন এজেন্টদের বাধা দিয়েছেন। অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব অভিযানে বহু আইন–মান্যকারী নাগরিককেও অবৈধভাবে আটক করা হয়েছে।
নর্থ ক্যারোলাইনার গভর্নর জশ স্টাইন রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় অবৈধ ও সহিংস অপরাধীদের দেশ থেকে বহিষ্কার করা উচিত জানিয়ে বলেন, ‘সবাই চায় তাদের কমিউনিটিতে নিরাপদ থাকতে, কিন্তু বহু ফেডারেল এজেন্টের কর্মকাণ্ড শার্লটে ঠিক তার উল্টোটা ঘটাচ্ছে।’
জশ স্টাইন বলেন, ‘কারও বাড়ির সামনে ক্রিসমাস ট্রি সাজাতে আসা ল্যান্ডস্কেপারদের পেছনে লেগে থাকা, আবার গির্জা ও দোকানে ঢুকে মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ আমাদের নিরাপদ করছে না। বরং ভয় ছড়াচ্ছে এবং আমাদের কমিউনিটিকে বিভক্ত করছে।’


