সারা দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য খাতে জরুরি অবস্থা জারি ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা। সোমবার বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তারা এই দাবি জানিয়েছেন।
মানববন্ধনে ছাত্রশক্তির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমীদ আল মোদ্দাসসীর চৌধুরী বলেন, ‘হাম ইস্যুতে স্বাস্থ্য খাতে জরুরি অবস্থা জারি করুন। অন্যথায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে না।’
শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত আইসিইউ ও অক্সিজেনের সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এভাবে একে অপরের ওপর দায় চাপানোর রাজনীতি না করে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।’
দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, নয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যু সরকারের অব্যবস্থাপনার প্রমাণ।
তিনি বলেন, ‘সরকার হাম নিয়ে শুধু বিগত সরকারকে দোষারোপ করছে, কিন্তু স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আমরা দেখছি না।’
মানববন্ধনে সীমান্ত ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জমি হস্তান্তরের ঘোষণার সমালোচনা করে তাহমীদ আল মোদ্দাসসীর বলেন, ‘ভারত এসআইআর ও পিএএ নীতির মাধ্যমে মুসলমানদের পুশইন করার চেষ্টা করছে। কসভা সীমান্তে দুইজনকে হত্যা নিয়ে বিএনপি সরকারের অদ্ভুত নীরবতা দেখা যাচ্ছে।’
তিনি সরকারের প্রচারণার সমালোচনা করে বলেন, ‘সব খাতে ব্যর্থ হয়ে সরকার এখন “প্রধানমন্ত্রী হেঁটে যাচ্ছেন” বা “গাড়ি চালাচ্ছেন”–এমন সস্তা স্ট্যান্টবাজি দেখাচ্ছে। এসব স্ট্যান্টবাজি ছাড়া জনগণকে সরকার কিছুই দিতে পারেনি।’
সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ বিএনপি সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগান দিলেও সীমান্ত হত্যা নিয়ে সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। মনে হচ্ছে, তারা ভারতের কাছে কিছু বন্ধক রেখে এসেছে।’


