নারীর সঙ্গে ভিডিও ভাইরাল কাণ্ডে বিতর্কিত গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের জামায়াতের চিঠি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছুই করার নেই। শুধু জাতীয় সংসদ বা স্পিকার বিষয়টি ইসিতে পাঠালে পর্যালোচনা ও শুনানি করে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। দলের পক্ষ থেকে এই বহিষ্কারের চিঠি নির্বাচন কমিশনেও পাঠানো হয়।
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর চিঠি নিয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোনো দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সেই দল বহিষ্কার করলে তিনি সংসদ সদস্য থাকবেন কি থাকবেন না এটি একটি বিতর্কিত বিষয়। তার সংসদ সদস্য পদ নিয়ে স্পিকার কিংবা জাতীয় সংসদ ইসিতে চিঠি পাঠালে ইসি আইন অনুযায়ী সেই বিতর্ক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেবে।
সংবিধান অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত মামলায় কমপক্ষে দু’বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সংসদ সদস্য পদ হারাবেন। এছাড়া সংসদে নিজ দলের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও ফ্লোর ক্রসিং-এর দায়ে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে। এমনকি নিজে দল থেকে পদত্যাগ করলেও তার আসন শূন্য হওয়ার অতীত উদাহরণ আছে। তবে দল কোনো সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করলে কী হবে-তা সংবিধান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ কিংবা সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ নেই।


