উইল ও’রোর্কের বাউন্সারটা ঠিক নিজের হিটিং জোনেই পেয়েছিলেন সাইফ হাসান। কিন্তু পুল করতে গিয়ে গড়বড় হয়ে গেল এই ডানহাতি ব্যাটারের। ঝড়ো গতির বাউন্সারে টাইমিং হলো না ঠিকঠাক, ব্যাট থেকে আলগা হয়ে যায় তার বটম হ্যান্ড। ফলাফল মিড অনে ক্লার্কসনের হাতে ক্যাচ। শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ২৪৮ রান তাড়ায় সাইফ ফিরলেন ৭৬ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে।
তার বিদায়ে ভাঙে লিটন দাসের সাথে ৯৩ রানের জুটি। যা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও ঘরের মাঠে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড। সাইফ-লিটন এই রেকর্ড জুটি গড়েছেন রীতিমতো ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নাথান স্মিথের টানা দুই বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে শট খেলতে গিয়ে লাইন মিস করে স্টাম্প খুইয়ে বসেন তানজিদ, ৬ বলে ২ রান করেন বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটার। পরের বলে শান্ত কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিচু হয়ে আসা ডেলিভারিতে হন পরাস্ত।
সেখান থেকে ১১৬ বলে ৯৩ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান সাইফ-লিটন জুটি। এই জুটিতে সাইফের অবদান ৬৩ বলে ৫০, লিটনের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮ রান। নিজের দ্বিতীয় ফিফটির পর অবশ্য আর বেশি দূর এগোতে পারেননি ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৭ রানের ইনিংস খেলা সাইফ।
২৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩১/৩।


