সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রুমিন ফারহানার পক্ষে প্রচার চালানোয় যুবদল ও শ্রমিক দলের ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদের মধ্যে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি পদের নেতাও রয়েছেন।
রোববার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলামের সই করা আলাদা দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারের শুরু থেকেই সরাইল উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নূর আলম ও কালীকচ্ছ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান বিদ্রোহী প্রার্থী এস এন তরুণ দে এবং অন্য নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রচারে যুক্ত রয়েছেন। এ কারণেই তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, ‘তারা দলীয় শৃঙ্খলা অনুযায়ী কাজ করছিলেন না, এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
এসব নেতাদের বহিষ্কারের কথা জানিয়ে রোববার বিকালে যুবদল ও সোমবার বিকালে শ্রমিক দল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
যুবদলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সরাইল উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব নূর আলম, সাবেক সহসভাপতি আবদুল রাকিব, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল বারেক, সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন, সাবেক সদস্য আহাদ মিয়া, সরাইল সদর ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান খান, কালীকচ্ছ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব হোসেন ও অরুয়াইল ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল মিয়াকে বহিষ্কার করা হলো।
শ্রমিক দলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সরাইল উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আইয়ুব হোসেন সরদার ও সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ মিয়াকে শ্রমিক দলের পদসহ সংগঠনের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।


