রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কমলাপুর, পল্টন ও শাহবাগের চার স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় যাত্রাবাড়ীতে দুইজন আহত হয়েছেন। তবে কমলাপুর, পল্টন ও শাহবাগের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিস্ফোরণের এসব ঘটনা ঘটে।
রাত ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণে জাকারিয়া হোসেন (২৪) নামে এক যুবক আহত হন। তার থুতনিতে গুরুতর জখম হয়েছে। জাকারিয়ার স্ত্রী সুমাইয়া খাতুন জানান, তারা নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড পাসপোর্ট অফিস এলাকায় থাকেন। রাতে সদরঘাট থেকে রিকশায় করে বাড়ি ফেরার সময় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে রিকশায় ওঠার মুহূর্তে পাশে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার থুতনির নিচে গুরুতর জখম হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের নির্জন এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। ঢাকা জেলার রেলওয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) নিকুলিন চাকমা জানান, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কমলাপুর রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্মকেন্দ্রিক টহল জোরদার করা হয়েছে।
এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে পল্টনে সচিবালয় মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিটের মধ্যে শাহবাগ থানাধীন বাংলা একাডেমির পাশে তিন নেতার মাজারসংলগ্ন মেট্রোরেল পিলার ৫২৭-এর নিচে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। রাত পৌনে ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান। এ ঘটনায়ও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে বিল্লাল হোসেন (৩২) নামে এক রিকশাচালক আহত হন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. হাবিবুর রহমান।


