যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সরকার গঠনের জন্য রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
বাকিংহাম প্যালেস রাজা তৃতীয় চার্লস ও অ্যান্ডি বার্নহ্যামের আনুষ্ঠানিক করমর্দনের ছবি প্রকাশ করেছে যা ‘কিসিং হ্যান্ডস’ নামে পরিচিত একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা। এর মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এর আগে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার রাজপ্রাসাদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা হিসেবে কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হন বার্নহ্যাম। লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি ছিলেন একমাত্র প্রার্থী। এর মধ্য দিয়ে তিনি গত এক দশকে ব্রিটেনের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন।
দুই বছর আগে লেবার পার্টির নিরঙ্কুশ নির্বাচনী জয়ের পর কিয়ার স্টারমার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন সেই সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন বার্নহ্যাম।
ব্রিটেনের সংসদীয় ব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন দল সাধারণ নির্বাচন ছাড়াই দলীয় নেতা পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে পারে। ২০২৯ সালের আগে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম চাইলে এর আগেও নির্বাচন আহ্বান করতে পারবেন।
বাকিংহাম প্যালেস এক বিবৃতিতে জানায়, রাজা তৃতীয় চার্লস অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। তিনি তা গ্রহণ করেন এবং ‘কিসিং হ্যান্ডস’ প্রথা সম্পন্ন করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদদের আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর হতে হবে।’ তিনি দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে বলেন, ১৯৮০-এর দশক থেকে যে নীতিগত ভুলপথে দেশ এগিয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে তিনি উদ্যোগ নেবেন। লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি এ বক্তব্য দেন।


