আকবর আলী, মুশফিকুর রহিম আর সাখির হোসেন শুভ্রকে নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের স্কোয়াডে উইকেটকিপার-ব্যাটারের সংখ্যা তিন। কাজেই প্রশ্ন উঠছে আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরে রাজশাহীর হয়ে কিপিং করবেন কে? শনিবার উত্তরটা দিলেন দলের কোচ হান্নান সরকার নিজেই। প্রথম দল হিসেবে এবারের বিপিএলের অনুশীলন শুরু করার পর মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে হান্নান জানান, মুশফিকের হাতেই থাকছে রাজশাহীর গ্লাভস।
যদিও ফার্স্ট চয়েজ উইকেটকিপার হিসেবে আকবরকে দলে টেনেছিল রাজশাহী। মুশফিক আর সাখির দুজনই পরে যুক্ত হয়েছেন স্কোয়াডে। গেল ছয় মাসে কিপার-ব্যাটার হিসেবে দারুণ করেছেন আকবর। এনসিএলের দুই ফরম্যাটেই রংপুর বিভাগকে করেছেন চ্যাম্পিয়ন। এদিকে মুশফিকের আছে প্রায় ২০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা, তরুণ সাখিরও বেশ ভালো করেছেন রাজশাহী বিভাগের হয়ে।
তবে হান্নান ভরসা রাখতে চাচ্ছেন মুশফিকের গ্লাভসেই। বাংলাদেশের সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, ‘টিম কম্বিনেশনে মুশফিকই ওপরে থাকবে। কারণ আমরা জানি মুশফিক কিপিংটা অনেক বেশি উপভোগ করে। ফিল্ডিংয়ের চেয়ে কিপিং করলেই খেলায় বেশি ইনভলভ থাকে। মুশফিকের মতো কিপার যদি কোনো দলে থাকে, তাহলে অধিনায়কের কাজটা সহজ হয়ে যায়।”
রাজশাহীর অধিনায়কত্বের আলোচনাতেও আছেন মুশফিক। যদিও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে নাজমুল হোসেন শান্তই এগিয়ে আছেন এখন পর্যন্ত। যেহেতু এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি, মুশফিকের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনাও দেখছেন হান্নান। তিনি বলেন, ‘মুশফিক যদি অধিনায়ক হয় নিশ্চিতভাবেই উইকেটের পিছন থেকে সে গাইড করতে পারবে। যদি অন্য কেউ ক্যাপ্টেন হয় সেখানেও কিন্তু মুশফিকের সেই গাইডেন্সটা পাবে। সো আমার মনে হয় যে মুশফিক কিপিং এ নিশ্চিতভাবেই ইনজয় করে যদি সে কিপিং করতে চায় ম্যাচে তার প্রায়োরিটিটা বেশি থাকবে। আর আকবর যদি খেলে স্বাভাবিকভাবে আকবরও কিন্তু সেখানে কিপিং এর জন্য যথেষ্ট ক্যাপাবল। সো এখানে বিষয়টা ডিপেন্ড করছে যে মুশফিক কিভাবে চিন্তা করছে এটা আমরা ম্যাচের আগেই ডিসিশন নিয়ে নিব।’


