১৫৬ রানের লিড নিয়ে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশন শেষ করেছে স্কোরবোর্ডে ৩০৭/৬ নিয়ে। মুশফিকুর রহিমের ৯০* রানে ভর করে স্বাগতিকরা চা-বিরতিতে গিয়েছে ৩৫৩ রানের বড় লিড সঙ্গী করে। এর আগে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা লিটন দাস খেলেন ৬৯ রানের ইনিংস।
নিজের ১৪-তম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে থেকে চা-বিরতিতে যাওয়া মুশফিক প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ছুঁয়েছেন ১৬ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলক। এই যাত্রায় সব ফরম্যাট মিলিয়ে তার সেঞ্চুরি ২২টি, ফিফটি ৮৫টি।
মুশফিকের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনের প্রথম ঘণ্টাতেই বিদায় নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর। ব্যক্তিগত ১৫ রানে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তবে এরপর পাকিস্তানি বোলারদের সামলে লিড বাড়াতে থাকেন মুশফিক-লিটন জুটি। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন গড়েন ১২৩ রানের জুটি। এই নিয়ে সপ্তমবার পঞ্চম অথবা এর নিচের উইকেটে জুটিতে শতরানের জুটি গড়লেন এই দুজন, তাও মাত্র ২৫ ইনিংসে। মুশফিক-লিটনের চেয়ে বেশি শতরানের জুটি আছে কেবল জো রুট ও বেন স্টোকসের, ৪৭ ইনিংসে আটটি।
১২৩ রানের জুটি ভাঙে হাসান আলীর বলে লিটনের বিদায়ে। বাউন্সারে আপার কাট করতে গিয়ে থার্ড ম্যানে সৌদ শাকিলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ৯২ বলে ৫ চারে খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। লিটনের বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজও ইনিংস বেশি বড় করতে পারেননি, শাহজাদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ১৯ রান করে। ৭ চার ও এক ছক্কায় ১৫৫ বলে ৯০ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিককে সঙ্গ দিচ্ছেন টেইলএন্ডার তাইজুল।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে ১১০/৩ উইকেটে। ফিফটি করেন মাহমুদুল হাসান জয়। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক ৩০ রানে আউট হন দিনের শেষ ওভারে।


