মুশফিকুর রহিম যখন নিজের ২৯-তম ফিফটি ছুঁয়েছেন, তখন থেকেই শুরু খোঁজাখুঁজির। জন্মদিনে সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন কারা? তথ্য উপাত্ত বলছে টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে এই তালিকায় আছেন ৯জন। তালিকার দশম হতে পারতেন ৩৯-তম জন্মদিনে পা রাখা মুশফিকও। কিন্তু পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয়দিন লাঞ্চ ব্রেকের পর প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হয়েছেন ৭১ রানে। যদিও মুশফিকের আক্ষেপের দিনে তাসকিন আহমেদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমেছে ৪১৩ রানে।
৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করা বাংলাদেশ খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি প্রথম সেশনে। দিনের ১১তম ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে পুল করতে গিয়ে মিড অনে সৌদ শাকিলের হাতে। তার বিদায়ে ভাঙে মুশফিকের সাথে ৬২ রানের জুটি। মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরেছেন মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ক্যাচ দিয়ে, ২৩ বলে ১৭ রান করা তাইজুল ইসলাম এই পেসারের চতুর্থ শিকার। এরপর এবাদতকে ফিরিয়ে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফাইফার।
দিনের প্রথম সেশনে ২৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান তোলার পর তখন দলীয় ৪০০ মনে হচ্ছিল দূরের পথ। তবে শেষ উইকেট জুটিতে নাহিদ রানার টিকে থাকার ব্যাটিং আর তাসকিনের পাল্টা আক্রমণে ৪০০ পেরিয়েছে বাংলাদেশ। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রান করেন তাসকিন।
এর আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি, মুমিনুল হকের ৯১ রানে বড় সংগ্রহের ভিত পায় বাংলাদেশ। প্রথম দিন দুজন তৃতীয় উইকেটে গড়েন ১৭০ রানের জুটি। শান্তর বিদায়ের পর ৭৫ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল ও মুশফিক।


