জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের মাল্টিপ্লেক্স হলগুলো সন্ধ্যা ৭টার পর শো বন্ধ রেখেছে। এ জন্য তারা প্রচুর দর্শকও হারাচ্ছে। অন্যদিকে সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোতে সন্ধ্যার শো এখনো চলছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্যবসায় ক্ষতির কথা ভেবে নির্মাতা ও প্রযোজকেরাও মাল্টিপ্লেক্সে শো চালু রাখার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, সিঙ্গেল স্ক্রিনে সাতটার পর শো বন্ধের কোনো সরকারি নির্দেশনা এখনো পাওয়া যায়নি। জেলার অনেক সিনেমা হলে আগের নিয়ম অনুযায়ী রাত সাড়ে আটটার মধ্যে শো শেষ হয়। তাই সেভাবেই চালানো হচ্ছে।
স্টার সিনেপ্লেক্সের একজন টিকিট বিক্রেতা জানিয়েছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় ১৫-২০ জন দর্শক শো না পেয়ে ফিরে যান। লায়ন সিনেমাসের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আবদুল খালেক জানান, সন্ধ্যার পর শো বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় চারটি শো বাতিল হচ্ছে। এতে করে ৩০০-৪০০ দর্শক কম পড়ছে। বিরাট ক্ষতির মুখে পড়ছে ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলো। এজন্য সেসব সিনেমার নির্মাতা ও প্রযোজকেরা মাল্টিপ্লেক্সে শো চালু রাখার জন্য অনুরোধ করেছেন।
ঈদে পাঁচটি সিনেমার মধ্যে সিঙ্গেল স্ক্রিনে শুধু ‘প্রিন্স’ ও ‘রাক্ষস’ প্রদর্শিত হচ্ছে। দর্শকের সংখ্যা কম থাকলেও তারা সন্ধ্যার শো উপভোগ করছেন। মাল্টিপ্লেক্সে শো বন্ধ থাকায় দর্শকদের মধ্যে হতাশা থাকলেও, সিঙ্গেল স্ক্রিনে এখনো সিনেমার অভিজ্ঞতা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটারেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। ঢিমেতালে চলছে থিয়েটারগুলো।


