আশির দশকের শেষের দিকে এবং নব্বইয়ের দশকের শুরুতে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তীব্র রাজনৈতিক আবহে এক ধরনের অস্থিরতার ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল। এর সঙ্গে যোগ হয় সেশনজট ও আবাসন সংকট। ফলে লাখো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন প্রলম্বিত হতে থাকে। এ কারণে নির্বিঘ্ন শিক্ষাজীবনের খোঁজে বিদেশ যেতে শুরু করে সামর্থ্যবানরা। ঠিক এ রকম এক সময়ে দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
এরপর সাড়ে তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অনেক রকম আলোচনা-সমালোচনা-বিতর্ক থাকলেও দিনশেষে উচ্চশিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে এই খাত। ১৯৯২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা এখন ১১৬টিতে উন্নীত হয়েছে।
তবে কার্যক্রম চলমান থাকা ১০৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় চার লাখ, যা দেশের (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অঙ্গীভূত প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়া) ৫৪টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর তুলনায় বেশি।
বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখের কম। প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান করছেন প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক।
মূলত, বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার ধারণা প্রথম দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র সাবেক অধ্যাপক মো. আলিমউল্যা মিয়ান। এরপর তিনিসহ আরও কয়েকজন উদ্যোক্তার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর অবশেষে ১৯৯২ সালে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৯২’ প্রণয়ন করে সরকার। এরপর গত ৩৫ বছর ধরে নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্য অর্জন করছে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষাব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে বেসরকারি খাত
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে এক সময় শুধু উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য ব্যয়বহুল প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ধনিক শ্রেণির প্রতিষ্ঠানের তকমা থেকে বেরিয়ে এসে সর্বস্তরের মানুষের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অনেক স্বল্পআয়ের পরিবারের অভিভাবকরাও এখন জমি বিক্রি করে বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নিজের সন্তানকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই–সন্তান যেন একজন বিশ্ববিদ্যালয় ‘গ্র্যাজুয়েট’ হিসেবে সমাজে সম্মানিত হন।
যদিও অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে, এমনকি ‘বাড়তি’ ‘টিউশন ফি’ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে, তারপরও বাস্তবতা হলো উচ্চশিক্ষার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা বাড়ছে। এ কারণে দেশজুড়ে এখন শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী নুরুল ইসলাম, তার একমাত্র ছেলে মোরসালিন দিনার। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফলাফল অর্জন করতে না পারায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারেনি। তাই ছেলেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন তিনি।
নুরুল ইসলাম মনে করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ব্যবস্থা ভালো। এ ছাড়া, ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়া করার কারণে সন্তানের কিছু দক্ষতা বাড়লেও হয়তো জীবনে কিছু করে খেতে পারবে।
তবে রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে ভালো ফলাফল নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও সরাসরি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন সালমান আহমদ। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি ও পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এক বছর সময় নষ্ট করতে চাননি তিনি। এ ছাড়াও, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানারকম সংকট এবং অস্থিরতাও তার পছন্দ নয়।
এ বিষয়ে সালমান জানান, তার বাবা সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক আবহ তার পছন্দ নয়।
ঠিক এভাবে গ্রাম থেকে শহর, স্বল্পআয়ের মানুষ থেকে অভিজাত-শ্রেণি, সর্বস্তরের নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের অনেকেই এখন পছন্দের বিষয়ে লেখাপড়া করার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্তত দুই হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীও লেখাপড়া করছে। বিশেষ করে চিকিৎসা বিজ্ঞান, বাণিজ্য, প্রকৌশলী বিষয়ে পড়ার জন্য তারা এ দেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিচ্ছেন। এমনকি কমপক্ষে ২০টিরও বেশি দেশের শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে, এ রকম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও এখন দেশে আছে।
এ বিষয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘সব প্রতিষ্ঠানের মান সমান না হলেও সরকারকে এটা মেনে নিতে হবে যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষাব্যবস্থার একটি অংশ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তারা অবদান রাখছে।’ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে ‘শিক্ষা ঋণ’ চালু করতে পারে বলেও প্রস্তাবনা দেন এই শিক্ষাবিদ।
মনজুর আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো মিলে এটি বাস্তবায়নে একটি প্রকল্প নিতে পারে, যাতে শিক্ষার্থীরা কম সুদে ঋণ নিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পারে।
তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মানের বিষয়ে বিভিন্ন শর্ত থাকতে পারে, যাতে ঋণটা মানসম্পন্ন শিক্ষার্থীরাই পায়।’ তাহলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান আরও বাড়বে বলেও মনে করেন তিনি।
প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও অব্যাহত অগ্রযাত্রা
শুরু থেকে শিক্ষার মানের বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বারবার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু ভালো শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষাঙ্গণে লেখাপড়ার পরিবেশে তৈরির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন মানের প্রশ্নে উতরে গেছে। এমনকি অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইতেও কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক খাতে ভালো গবেষণা কার্যক্রম হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষা-গবেষক।
এমনকি গত কয়েক বছরের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার বাজেট অধিকাংশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের চেয়ে আট থেকে দশগুণ বেশি। তবে অধিকাংশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউজিসির একজন গবেষক জানান, ২০-২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুব ভালো করছে। বাকিগুলো চলনসই। তবে একেবারেই পিছিয়ে আছে এমন প্রতিষ্ঠানও অনেক। নিয়মিত কঠোর নজরদারির আওতায় আনলে তাদেরও উন্নতি সম্ভব। তবে মানোন্নেনের উদ্যোগ নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।
কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে একসময় ‘সনদ বাণিজ্য’র অভিযোগ থাকলেও ইউজিসি নিয়মিত তদারকির কারণে সেসব সমস্যা আর নেই বলে জানান ইউজিসির সেই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘ন্যূনতম কিছু প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয় এখন সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে। তারা নিয়মিত তাদের হালনাগাদ তথ্য দেয় ইউজিসিকে। ইউজিসিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি কার্যক্রম চালিয়ে থাকে।’
বাংলাদেশ বিষয়ে উচ্চতর গবেষণার জন্য দেশের একমাত্র বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (আইবিএস) পিএইচডি গবেষক শেখ সাব্বির আহমেদ ওয়ালিউল্লাহ টাইমসকে বলেন, ‘বেসরকারি বা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয় নয়, একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা নির্ভর করে মূলত শিক্ষকের আত্মনিবেদন এবং শিক্ষার্থীর শেখার ইচ্ছার ওপর।’
এই গবেষক নিজে একসময় দেশের একটি শীর্ষ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম একটি শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার প্রতিযোগিতার কথা যদি ধরি, সে হিসেবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী হয়তো মেধায় কিছুটা পিছিয়ে। কিন্তু ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানের কারণে পরবর্তীতে তাদের শিক্ষার্থীরা শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যায়।’
‘ভালো’ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্মত শিক্ষক, শ্রেণিকক্ষেরর শিখন পরিবেশ, সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকায় শিক্ষার মান বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ টাইমসকে বলেন, ‘১৯৯২ সালেবাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে এই খাতকে নিয়ে নানা ধরনের সন্দেহ, সমালোচনা ও নেতিবাচক ধারণা ছিল। অনেকে মনে করতেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্মত শিক্ষা দিতে পারবে না। তবুও ধীরে ধীরে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।’ এমনকি এখন আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিয়েও অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শীর্ষস্থানও অর্জন করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচনের প্রতীক্ষা
ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষায় আরও অবদান রাখার জন্য পিএইচডি গবেষণা পরিচালনার অনুমোদনের জন্য চেষ্টা করছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ইউজিসি বলছে, এই অনুমোদন দেওয়া হবে, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। তবে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদানের যোগ্যতা ও সক্ষমতা নির্ধারণে একটি মানদণ্ড ঠিক করা হচ্ছে।
মানদণ্ড অনুযায়ী যোগ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এমফিল ও পিএইচডি কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন পাবে। যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন, প্রতিবছর যাদের গবেষণা ‘কিউ ওয়ান’ মানের আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ হয়, যারা ‘গ্লোবালি কমপিটেটিভ’ শিক্ষক, শুধু তারাই পিএইচডির তত্ত্বাবধায়ক হতে পারবেন।
দীর্ঘদিন থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর থেকে কর তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে যাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও বিষয়টির কথা উল্লেখ করা আছে। একইসঙ্গে গবেষণা অনুদান ও আন্তর্জাতিক তহবিল গ্রহণে জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার দাবিও জানাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। সরকার এসব ব্যাপারে সহযোগিতা করলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরও ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ বলেন, ‘ক্রস বর্ডার এডুকেশন’ এবং বিদেশে ক্যাম্পাস পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন করলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শিক্ষা বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। “এডুকেশন এক্সপোর্ট” একটি খাত হিসেবে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিনিময় এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে।’


