মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের মধ্যে মারামারিতে তিন বাংলাদেশি নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার বিকালে দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরের অদূরে নেগরি সেমবিলান প্রদেশের তামান লিঙ্গিরের একটি বাড়ি থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।
নেগরি সেমবিলান পুলিশের বরাতে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমস মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হতাহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
নেগরি সেমবিলান পুলিশ প্রধান দাতুক আলজাফনি আহমদ এক বিবৃতিতে বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সময় সোমবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে তামান লিঙ্গিরের ওই বাড়িতে কয়েকজন বাংলাদেশির মধ্যে মারামারির বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পায় পুলিশ।
তিনি বলেন, ‘লিঙ্গি থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করে। পরে প্রাথমিক তদন্তের সূত্র ধরে পুলিশ লিঙ্গির সুয়া মাঙ্গিস এস্টেট থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের কারণে ওই তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। আরেকজন আহত হয়ে রেমবাউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে আলজাফনি আহমদ বলেন, ‘মারামরিতে জড়িত সবাই সহকর্মী ছিলেন। তারা একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন এবং একই বাসায় থাকতেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি একাধিক স্থানে ঘটেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের তথ্য পাওয়া যায়নি। রিমান্ড আবেদনের জন্য তাকে পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে। ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।


