মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) মো. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেছেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর যেসব স্মৃতি আছে তার একটিও নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।
বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন শেষে ভিসি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের এই করুণ অবস্থা, এখানে পরিচালক আছেন, দুইজন ডেপুটি ডিরেক্টর আছেন, একজন কর্মচারীও আছেন। মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতিগুলো খারাপ অবস্থায় থাকবে, এটা কল্পনাই করা যায় না।
মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টারের একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান অলমোস্ট শেষ। আগামী ২৫ আগস্ট ফাইনাল প্রেজেন্টেশন হবে। এখানে মাওলানা ভাসানীর জন্য আলাদা রিসার্চ সেন্টারের ১০ তলা ভবনের একটি প্রস্তাব দেওয়া আছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা ভাসানীর মত ব্যক্তিত্বকে যে আমরা সংরক্ষণ করতে পারিনি, এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য ব্যর্থতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি এইটুকু প্রতিশ্রুতি দিতে পারি, মাওলানা ভাসানীকে সম্মান দেওয়ার জন্য উনার জীবনের যা কিছু আছে সবকিছু শুধু সংরক্ষণই করব না, উনার প্রয়াণ দিবসে অনেক বড় ধরনের একটা প্রোগ্রামের পরিকল্পনা আমরা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ব্যাপারে সারা পৃথিবীতে যারা যারা গবেষণা করেছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমি যোগাযোগের চেষ্টা করছি এবং সবাইকে বলেছি আমাকে লিংক দিতে। আমরা একটা স্মারক গ্রন্থ বের করব, যে স্মারক গ্রন্থের ভেতরে মাওলানা ভাসানীর ওপর যারা যারা কাজ করেছেন—ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউক্রেন, তাদের লেখা আমি আহ্বান করছি এবং আমি কমিটিকে বলেছি সব ধরনের সহযোগিতা করব।’
যারা মাওলানা ভাসানীকে ভালোবাসেন এবং উনাকে নিয়ে গবেষণা করেন দেশে-বিদেশে, তাদেরকে নিয়ে মাওলানা ভাসানী রিসার্চ ইনস্টিটিউট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে বলেও ভিসি জানান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মো. আনিছুর রহমান, রেজিস্ট্রার মো. সাজ্জাদ হোসেন, আইকিউএসির পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল নাসির প্রমুখ।


