চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন ৬৭ জন মানুষ। এর আগে ২০২৫ সালে এখানে মৃত্যু হয়েছিল ১৩৪ জনের। এই মহাসড়কে এখন প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ভয়াবহ প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।
অথচ এই একটিমাত্র রাস্তা দিয়েই উপকূলীয় খামারের লবণ, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইস্পাত এবং দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দরের কনটেইনার পরিবহন করা হয়। এর পাশাপাশি এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন বছরে প্রায় ৩০ লাখ পর্যটক।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের এই অর্থনৈতিক করিডোর ২০৫০ সালের মধ্যে জাতীয় জিডিপিতে অতিরিক্ত ১৫০ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখতে পারে। তবে এই হিসাব তখনই মিলবে যখন সড়কটি সচল থাকবে। কিন্তু বাস্তবে রাস্তাটির চাকা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
একটি মৃত্যুফাঁদ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ যে অংশটি মাত্র ১৫ হাজার যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, সেখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ হাজার যানবাহন চলাচল করে। এর ফলে যে পথ পার হতে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা সময় লাগার কথা, সেখানে এখন পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় তীব্র যানজটে আটকে থাকতে হয়।
ট্রাকচালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জটলায় আটকে থাকতে হয়, বাসচালকদের পিচঢালা পথ দখল করে গড়ে ওঠা বাজারের মধ্য দিয়ে সাবধানে গাড়ি চালাতে হয় এবং লবণবাহী ট্রাক থেকে নিঃসৃত তরল লবণের কারণে রাস্তাটি বিপজ্জনকভাবে পিছল হয়ে থাকে। মাঝখানে কোনো সড়ক বিভাজক না থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত লেগে থাকে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঝুঁকি।
এখানে প্রতিটি দুর্ঘটনাই একই সঙ্গে অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। কেরানীহাটে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের মালবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চকরিয়ায় কোনো সংঘর্ষ হলে কক্সবাজারগামী পর্যটকরা আটকে পড়েন। আবার পটিয়া-দোহাজারী মোড়ে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এই অঞ্চলের জ্বালানি হাবের দিকে যাওয়া কনটেইনারবাহী গাড়িগুলোর চাকা পুরোপুরি থমকে যায়।
তবে এই অবকাঠামোগত ঘাটতির সবচেয়ে বড় চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে মানুষের রক্ত দিয়ে। পটিয়া থেকে দোহাজারী এবং চুনতি থেকে চকরিয়া পর্যন্ত অংশগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও অন্ধ গলির জন্য পরিচিত। হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন মারাত্মক দুর্ঘটনা এই সড়কের নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালে এই মহাসড়কে ১০৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আর ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যেই ৫৮টি দুর্ঘটনায় আরও ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, অনেক দুর্ঘটনা আড়ালে থেকে যাওয়ার পরও এই পরিসংখ্যান দেশের গড় সড়ক দুর্ঘটনার হারের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন চৌধুরী চালকদের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের মহাসড়ক দিয়ে আসার সময় চালকরা গতি ও পর্যাপ্ত জায়গার সুবিধা পান। কিন্তু তারা যখন হঠাৎ করে এই সংকীর্ণ দুই লেনের রাস্তায় প্রবেশ করেন, তখন গতির সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়াতে পারেন না।
দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে স্থানীয় পরিবহন ব্যবস্থাপনার ত্রুটি। আরাকান সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের মোহাম্মদ মুসা জানান, লবণবাহী ট্রাক থেকে পড়া তরল লবণের কারণে রাস্তা বরফের মতো পিচ্ছিল হয়ে যায়। এর পাশাপাশি নির্দিষ্ট টার্মিনাল না থাকায় চালকরা সরাসরি মহাসড়কের ওপরই যাত্রী ওঠানামা করতে বাধ্য হন।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা আরও লক্ষ্য করেছেন, একটানা দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর ক্লান্তি ও অবসাদের কারণে বেশিরভাগ বড় দুর্ঘটনা সাধারণত ভোরবেলায় ঘটে।
২০২৩ সালের পহেলা নভেম্বর চালু হওয়া নতুন রেলপথও এই সড়কের ওপর থেকে চাপ কমাতে বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। স্থানীয় যাতায়াত, অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ এবং ভারী পণ্য পরিবহনের জন্য সড়ক পরিবহনই এখনও সবার প্রধান ভরসা।
অতিরিক্ত চাপে ভেঙে পড়া সড়ক
শুরুতে দৈনিক ১২ থেকে ১৫ হাজার যানবাহন চলাচলের ক্ষমতা নিয়ে নির্মিত এই মহাসড়কটি এখন তার ক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি চাপ সামলাতে গিয়ে পুরোপুরি ভেঙে পড়ছে। এই তীব্র যানজটের পেছনে রয়েছে বেশ কিছু বড় কারণ। এর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারের স্থানীয় ২৮ লাখ জনসংখ্যা, ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং প্রতি বছর আসা প্রায় ৩০ লাখ অভ্যন্তরীণ পর্যটকের চাপ।
কাজের প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে এই রুটে যাতায়াত করা পর্যটন উদ্যোক্তা কবির সোহেল বলেন, বর্তমান হিসাবটি কোনোভাবেই আর মিলছে না। মাত্র ১৫১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে এখন পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় হামাগুড়ি দিয়ে চলতে হয়। অথচ এই একই সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ৩০০ কিলোমিটার পথ অনায়াসে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। শুধু যানজটে বসেই কর্মক্ষমতার অর্ধেক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এর ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের শিল্প সরঞ্জাম বা কক্সবাজারের লবণ নিয়ে একটি ট্রাক যত ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকে, বাংলাদেশে ব্যবসা করার খরচ ততটাই বেড়ে যায়। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই কাঠামোগত ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সড়কটিকে আধুনিক চার লেনে উন্নীত করার কাজ আটকে রয়েছে।
ঐতিহাসিক পথ, আধুনিক যানজট
ঐতিহাসিকভাবে ‘আরাকান রোড’ নামে পরিচিত এই করিডোরটি মধ্যযুগীয় আরাকান রাজ্যের সময় থেকেই একটি কৌশলগত বাণিজ্য ও সামরিক পথ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর রসদ সরবরাহের প্রধান পথ হিসেবে এর গুরুত্ব ছিল সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে এটি কর্ণফুলী টানেল এবং মহেশখালী-মাতারবাড়ী জ্বালানি হাবকে দেশের বাকি অংশের সাথে যুক্ত করেছে।
এরপরও এই দক্ষিণ-পূর্ব অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বারটি অবকাঠামোগত দিক থেকে এখনো অতীতেই পড়ে রয়েছে। বাংলাদেশ যখন ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিশাল এলএনজি অবকাঠামো নিয়ে গর্ব করছে, তখন এই আধুনিক প্রকল্পগুলোর সংযোগ সড়কটি অন্তত ১০টি বড় বাজারের কারণে স্থবির হয়ে থাকে। এই বাজারগুলো ট্রাফিক নিয়মের তোয়াক্কা না করেই রাস্তার ওপর চালানো হচ্ছে।
পরিবহন চালক, শ্রমিক এবং হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আমানত সেতু পার হওয়ার পরপরই এই রুটে তীব্র যানজট শুরু হয়ে যায়। শান্তিরহাট, রৌশন হাট, কামাল মুন্সির হাট, দোহাজারী বাজার, কেরানীহাট, পদুয়া তেওয়ারী হাট, আমিরাবাদ, চকরিয়া, ঈদগাঁও এবং লিংকরোড বা ঝিলংজার মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে এসে যানজট আরও প্রকট আকার ধারণ করে। লোহাগাড়া ও পটিয়ায় তো মহাসড়কটি আর মহাসড়ক থাকে না, এটি রূপ নেয় এক বিশৃঙ্খল গ্রামীণ সড়কে।
সড়ক নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন করা স্থানীয় নেতা নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, বাজারগুলো সরাসরি পিচঢালা রাস্তার ওপর বসে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে হকার ও বিক্রেতারা রাস্তার ওপরেই দোকানপাট বসায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্থানীয় পর্যায়ের সামান্য দুর্নীতির কারণে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিকে বিসর্জন দিচ্ছি।’
জাইকার উদ্যোগ ও সময়ের সঙ্গে লড়াই
বর্তমান যানজট পরিস্থিতি আর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বুঝতে পেরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সঙ্গে ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকার অর্থায়ন চুক্তির আওতায় অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
বর্তমান কৌশল হিসেবে সড়কের সবচেয়ে বড় জটলাগুলো দূর করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে জাঙ্গালিয়া, চুনতি ও লোহাগাড়ার মতো অতিরিক্ত যানজটপ্রবণ এলাকার ৮০০ মিটার অংশে রাস্তা উভয় পাশে আরও ৬ ফুট চওড়া করে চার লেনে উন্নীত করার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।
এর পাশাপাশি ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। এই ধাপে পটিয়া, দোহাজারী, লোহাগাড়া ও চকরিয়ায় চারটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে এই রুটের অন্যতম বড় যানজটের কেন্দ্র কেরানীহাটে একটি সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে।
পরবর্তী ধাপে শাহ আমানত সেতু থেকে ফাসিয়াখালী পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার অংশকে মাতারবাড়ী বন্দর করিডোরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করতে ৪৭ হাজার কোটি টাকার একটি আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সড়ক প্রকল্প। চুনতি এবং ফাসিয়াখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের মধ্যে বিপন্ন এশীয় হাতিদের যাতায়াত পথ সচল ও নিরাপদ রাখতে এই রুটের প্রায় ৬০ শতাংশ অংশ এলিভেটেড বা উড়াল সড়ক হিসেবে নির্মাণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা বেশ জটিল। জাইকা তাদের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন জমা দিলেও সরকার এতে কিছু সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রকল্প অনুমোদনে বিলম্ব হচ্ছে। নির্মাণসামগ্রীর ঊর্ধ্বমুখী ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিরোধ এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল চুনতি বনাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করার জটিলতার কারণেও বারবার থমকে যাচ্ছে প্রকল্পের অগ্রগতি।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন জানান, বেশ কয়েকটি অংশের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ এখনও চলছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে পরিকল্পনার কাজ ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাস্তার বাইরেও ব্যবস্থাপনার সংকট
মহাসড়কের এমন নরকতুল্য পরিস্থিতি থাকার পরেও এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিন্তু থেমে নেই। সনাতন চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের বাইরেও এই দক্ষিণ-পূর্ব করিডোরটি দ্রুত একটি স্বাধীন অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে।
তবে এই পরিবহন সংকট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে শুরুতেই থমকে দেওয়ার হুমকি তৈরি করছে। দীর্ঘস্থায়ী যানজটের কারণে মহেশখালী-মাতারবাড়ী জ্বালানি হাবের মালামাল সরবরাহের গতি কমে যাচ্ছে। দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বেড়ে যাচ্ছে বান্দরবানের কৃষকদের পণ্য পরিবহনের খরচ, ফসল তোলার পর তা নষ্ট হওয়ার হারও বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ যানজট পর্যটকদের যাতায়াতকে সীমিত করে দিচ্ছে, যা বাধাগ্রস্ত করছে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের বিকাশ।
নিয়মিত যাত্রী, পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের সবার মতামতেই একটি বিষয় স্পষ্ট, শুধু ইট-পাথর আর পিচ দিয়ে এই রাস্তার সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এই করিডোরে এখন জরুরি ভিত্তিতে একটি আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিপ্লব প্রয়োজন।
বাস মালিক সমিতির মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের ১৯টি নিবন্ধিত রুটে ৫০০-এর বেশি বাস চলাচল করে। কিন্তু এর বাইরে বিলাসবহুল ডাবল ডেকার এবং অবৈধ থ্রি-হুইলারসহ শত শত অনুমোদনহীন যানবাহন সড়কের বাকি জায়গাগুলো দখল করে রাখে। রুট পারমিটের কঠোর প্রয়োগ এবং রাস্তা থেকে অবৈধ বাজারগুলো স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করা না গেলে, এই সড়ক চার লেনে চওড়া করার পরেও শেষ পর্যন্ত একই বিশৃঙ্খলার মধ্যে হারিয়ে যাবে।’


