নারীদের বাদ দিয়ে সমাজে বৈষম্য নিরসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ‘সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম’র সভাপতি শম্পা বসু।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও আইনত্ব সমান অধিকার পায় না নারীরা। তারা ভেবেছিলেন জুলাই অভ্যুত্থানের পর নারী পুরুষের বৈষম্যের অবসান ঘটবে কিন্তু তা হয়নি।’
শনিবার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম’ আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা ও বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে পোশাকশিল্পে ও কৃষি শ্রমে নারীদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু এসব খাতে নারীরা অবমূল্যায়নের শিকার হচ্ছে। এমনকি আইনি অনেক ক্ষেত্রেও নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের পর শাসন ব্যবস্থায় ব্যক্তির পরিবর্তন হলেও স্বৈরাচারী ব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিষা চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় নারীরা পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করলেও গণঅভ্যুত্থানের পর তাদের সমান মর্যাদা দেওয়া হয়নি।’
আলোচনা সভায় জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী মুক্তা বলেন, ‘আমাদের শাসকগোষ্ঠী, রাষ্ট্র নারীদের অবদান স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু সমাজ পরিবর্তন করতে হলে নারীদের ভূমিকাকে পিছিয়ে রাখলে হবে না।’
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দিলরুবা নূরীসহ জুলাই গনঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সোহাগী সামিয়া, শারমিন সুলতানা প্রমুখ।


