বিমানের পরিচালক রাশেদুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু

বিমানের পরিচালক রাশেদুলের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু
Advertisement
Advertisement

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিক সাপোর্টের পরিচালক মো. রাশেদুল করিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বিমানকে চিঠি দেয় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীনের সই করা ওই চিঠিতে রাশেদুল করিমের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরা হয়। চিঠিতে দ্বিতীয় বিয়ে করেও স্ত্রী ও সন্তানকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে বিমান কতৃপক্ষকে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানায়, রাশিদুল করিম বিমানের কার্গো পরিচালকের পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। তার অনিয়ম-দুর্নীতি বিরুদ্ধে সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য আমলে নিয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে জানানো হয়, গত ১ অক্টোবর বিমানের বিজি-৬০৫ ও বিজি-২২৭ ফ্লাইটে রাশেদুল করিম পরিবারসহ এবং কার্গো বিভাগের দুই জুনিয়র স্টাফ সাবলো টিকিট বা বিমান কর্মীদের জন্য সংরক্ষিত টিকিটে সিলেটে যান।

আরও পড়ুন

অভিযোগ উঠেছে, পূজার ছুটিতে রেভিনিউ টিকিটের সংকট থাকার পরেও ডমেস্টিক ম্যানেজারের ওপর চাপ দিয়ে রাজস্ব যাত্রীদের টিকিট বাতিল করে প্রায় ১১ থেকে ১২ জনের জন্য সাবলো টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়, যা বিমানের নীতিমালা অনুযায়ী গুরুতর অনিয়ম।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সিলেটে যাওয়ার সময় স্টেশন ম্যানেজারের রেফারেন্সে চার দিন থাকার খরচ পরিশোধ না করেই তারা ঢাকায় ফিরে আসেন। এতে স্থানীয় বিমানের কর্মীদের ওই খরচ দিতে হয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

ফলে এ বিষয়টি তদন্তযোগ্য বলে জানিয়ে দেয় মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া চিঠিতে বলা হয়, রাশেদুল করিম ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি মোছা. মৌসুমী আক্তার লিমাকে বিয়ে করেন এবং তাদের একটি ছেলে আছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি স্ত্রী ও সন্তানের স্বীকৃতি দিচ্ছেন না এবং এ বিষয়ে লিমা রাশেদকে চাপ দিলে তাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গত ৩০ নভেম্বর ভুক্তভোগী লিমা বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মন্ত্রণালয় চিঠিতে জানায়, উল্লিখিত সব অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad