গ্রামে-গঞ্জে বিদ্যুৎ এখন বড় ইস্যু। যখন গ্রামে যাই এই ইস্যু আমাদের বিব্রত করে, অস্বস্তিতে ফেলে বলে সংসদকে জানিয়েছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। এর জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান তারা। সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ‘গ্রামগঞ্জে বিদ্যুৎ এখন বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় গেলে এ বিষয়টি তাদের বিব্রত ও অস্বস্তিতে ফেলে।’
তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকা মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৩ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ২৭ মেগাওয়াট। আবার অফ-পিক সময়ে ৩৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট। ফলে গড়ে ৩৪ থেকে ৩৮ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে।
এ পরিস্থিতি থেকে কবে নাগাদ উত্তরণ সম্ভব হবে এবং এলাকাবাসীকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করা যাবে, সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তিনি।
জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলে মূল সমস্যা ট্রান্সমিশন লাইনে। এ কারণে নতুন ট্রান্সমিশন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে বড় আকারের টাওয়ার নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় কাজ বিলম্বিত হয়েছে। জয়দেবপুর-শম্ভুগঞ্জ ট্রান্সমিশন লাইনের জন্য ভালুকা এলাকায় এক জমির মালিকের করা মামলায় সরকার বিজয়ী হলেও এখনো পুরোপুরি কাজ শুরু করা যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু করা গেলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


