গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণ, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত এবং বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, নির্যাতন বন্ধ এবং মজুরি কমিশনে শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
শুক্রবার রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে শ্রমিকেরা মিছিল বের করেন।
মিছিল থেকে শ্রমিকেরা ‘ন্যূনতম মজুরি ৩২ হাজার টাকা দিতে হবে’, ‘বন্ধ কারখানা খুলে দাও’, ‘দাবি নিয়ে তালবাহানা চলবে না’, ‘দুনিয়ার মজদুর, এক হও’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় বেতন বৃদ্ধি, শ্রমিকদের অধিকার ও রুটি-রুজির নিশ্চয়তার দাবিও তোলেন তারা।
সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, দ্রব্যমূল্য, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা এবং গ্যাস-বিদ্যুতের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। ছয় থেকে সাত সদস্যের একটি পরিবারের ন্যূনতম খরচ মেটাতে বর্তমান মজুরি যথেষ্ট নয়। এ অবস্থায় শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফেডারেশনের সভাপতি সরওয়ার হোসেন। তিনি শ্রমিকদের দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ন্যায্য মজুরি না দিয়ে শ্রমিকদের দুর্দশা বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।


