সারা দেশে বারগুলো নিয়ম মেনে চলছে কি না তা তদারকির জন্য নির্দেশ দিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এরপর ঢাকার বারগুলো খোলা ও বন্ধ করার সময়, লেটলাইট, গানবাজনা, পারমিটসহ সবকিছু তদারকি করা হচ্ছে। এজেন্য কয়েকটি টিম গঠন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মদ-বিয়ার কেনাবেচায় অনিয়ম হলেও খতিয়ে দেখবে তারা। তবে এখনো কোনো অনিয়ম ধরা পড়েনি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ১৪ অক্টোবর রাতে গুলশান-১ নম্বরের ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ লিমিটেড বার ও রেস্টুরেন্টের সামনে দবিরুল ইসলাম (৫১) নামে এক ব্যবসায়ী মারধরের শিকার হয়ে পরে হাসপাতালে মারা যান। এ ছাড়া একাধিক বারে নাইটক্লাবের আদলে পরিবেশ তৈরি করে অপরাধের অখড়া গড়ে ওঠার অভিযোগ রয়েছে।
এর মধ্যে বিজয় নগরে ফারস হোটেল ও রাজমনি ঈশা হোটেলে বার পরিচানায় নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট জোনের ইনস্পেক্টর জাকির হোসেনসহ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অধিদপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এ প্রসঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ের উপপরিচালক শামীম আহমেদ বৃহস্পতিবার টাইমস অব বাংলাদেশকে জানান, গুলশানের বারে খুনের পর প্রধান কার্যালয় এক অফিস আদেশে সব বারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পর দুটি সার্কেলে চারটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা বারগুলোতে গিয়ে তদারকি করছে। ফারস এবং রাজমনি ঈশা খা হোটেলেও টিম তদারকি করছে বলে জানান তিনি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক জাকির হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ম্যাসেজ পাঠানো হলেও সাড়া দেননি তিনি।


