লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে হাইকোর্টের রুল

লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে হাইকোর্টের রুল
Advertisement
Advertisement

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারাদেশের থানা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অফিস থেকে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাব মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে হয়েছে।

লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের বিষয়ে দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী মাহমুদুল হাসান।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

আদেশের বিষয়টি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানান রিটকারী আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘আজ হাইকোর্টের রুলের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেয়েছি।’

এর আগে, গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ সংক্রান্ত বিষয়ে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাব মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়।

আরও পড়ুন

রিটে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় থেকে পাঁচ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, সরকার এসব অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করা সত্ত্বেও এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘সরকার কিছু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর জন্য গানম্যানের ব্যবস্থা করলেও দেশের আপামর ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

এ অবস্থায়, লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না করে নির্বাচনের আয়োজন করা হলে তা বাংলাদেশ সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার ও প্রার্থীদের মৌলিক অধিকার অর্থাৎ ‘জীবনের অধিকার’-এর চরম লঙ্ঘন হবে।’

এর আগে, লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি বড় অংশ আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

গত ১৪ ডিসেম্বর রেজিস্ট্রি ডাক ও ইমেইলের মাধ্যমে জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় রিটটি করা হয়।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad