মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের উদ্যোগে বিএফডিসি গেটে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে আয়োজিত এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, চলচ্চিত্রে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও চলচ্চিত্র অনুদান প্রবর্তন করেছেন। বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করেছেন, বিটিভি সাদাকালো থেকে রঙিন করেছেন এবং বিএফডিসি আধুনিকায়ন করেছেন।
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় ছিল, তখনই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে এবং অতীতের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাদের সরকার আবারও চলচ্চিত্রের উন্নয়ন করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর এফডিসিকে ধ্বংস করা হয়েছে। বিএনপি চলচ্চিত্রের যে উন্নয়ন করেছিল, পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার তা ধ্বংস করে দিয়েছে। আগামীতে তাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন করা হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের সভাপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব অভিনেতা এবিএম সোহেল রশিদ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক মনজুরুল ইসলাম মেঘ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম, আবু হেনা বাবলু ও হান্নান মজুমদার, সহ-সভাপতি চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, অভিনেত্রী রোকেয়া সুলতানা কেয়া, চিত্রনায়ক আবির চৌধুরী, চিত্রনায়ক মারুফ আকিব, যুগ্ম মহাসচিব চিত্রনায়িকা জিনিয়া, চিত্রনায়ক তানভির তনু ও জিএম সাঈদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক চলচ্চিত্র পরিচালক রাজু আহমেদ, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক চলচ্চিত্র ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আজিজুল হক খোকা, অভিনেতা আসিফ বাবু, অভিনেতা পলাশ খান, অভিনেতা ডেঞ্জার নাসিম, ব্যবস্থাপক শাহ আলম এবং অভিনেতা মোহাম্মদ হোসেন লিটনসহ আরও অনেকে।
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক চলচ্চিত্র পরিচালক নাসিরউদ্দিন মিলন এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হান্নান মজুমদার। অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে বিএফডিসি জাতীয়তাবাদী এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।
এর আগে সকালে কোরআন খতম ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। পরিশেষে জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।


