বাংলাদেশ-চীন ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি সই

বাংলাদেশ-চীন ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে চুক্তি সই
বৃহস্পতিবার ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব (বৈদেশিক সহায়তা অধিশাখা) মো. মোকছেদ আলী এবং চীন সরকারের পক্ষে ঢাকার চীনা দূতাবাসের কাউন্সেলর সং ইয়াং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালীর লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা-আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে লোহালিয়া নদীর ওপর বগা ফেরিঘাটের ভাটিতে সেতুটি নির্মাণ করা হবে। প্রায় ২ দশমিক ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকল্পটির মধ্যে ১ দশমিক ৩৪৮ কিলোমিটার মূল সেতু এবং ১ দশমিক ২৭২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে।

দীর্ঘদিন ধরে বাউফল, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার লাখো মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কৃষিপণ্য, মৎস্যসম্পদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের জন্য বগা ফেরিঘাটের ওপর নির্ভরশীল। সেতুটি নির্মিত হলে এসব এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আরও পড়ুন

চুক্তি অনুযায়ী, মূল সেতু ও সড়ক নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন অনুদান হিসেবে দেবে চীন সরকার। অন্যদিকে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর এখন চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠান সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন ও চূড়ান্তকরণের কাজ করবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির কার্যক্রমও চলছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর শুরু হবে নির্মাণকাজ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, ৯ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। এতে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে, পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং কৃষি, মৎস্য, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং চীন সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad