দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১
জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কেম্পটন পার্কে মিছিল করেন স্থানীয়রা। মিছিলে অন্যদের সঙ্গে প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন এই নারী। ছবি: এএফপি/বাসস
Advertisement
Advertisement

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরের একটি টাউনশিপের এক বাড়িতে ঢুকে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা অন্তত ১১ জনকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন।

কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের প্রিমিয়ার থামসানকা এনতুলি জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টার কিছু আগে হামলাকারীরা বাড়িটিতে প্রবেশ করে। সে সময় ভুক্তভোগীরা সেখানে একটি পার্টিতে জড়ো হয়েছিলেন। ডারবান এই প্রদেশেরই প্রধান শহর। আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় বলে জানিয়ে তিনি বলেন, হামলা থেকে দুইজন বেঁচে গেছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইএনসিএ জানিয়েছে, হামলাকারীরা সবাইকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে ঢোকানোর পর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। পালানোর সময় তারা নিহতদের একজনের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এদের সঙ্গে আমি বড় হয়েছি। আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না, মনে হচ্ছে যেন কোনো সিনেমার ঘটনা। সারা জীবন এখানে থেকে কখনো এরকম কিছু দেখিনি।’

ইএনসিএতে উদ্ধৃত পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী নিহতদের কয়েকজন সন্দেহভাজন অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য আগে থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রাইম ইন্টেলিজেন্সের নজরে ছিলেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

পুলিশের ভাষ্য, ‘গুলির ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যকার বিরোধের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’

বিশ্বজুড়ে যেসব দেশে হত্যাকাণ্ডের হার সবচেয়ে বেশি, দক্ষিণ আফ্রিকা তার অন্যতম। প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ জন মানুষ খুন হয়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গত মার্চ মাসে সহিংসতার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসাও অপরাধকে দেশের অন্যতম প্রধান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad