গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধের দাবিতে ভ্যাটিকানের পথে যাজকদের মিছিল

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধের দাবিতে ভ্যাটিকানের পথে যাজকদের মিছিল
বিভিন্ন দেশের পুরোহিত ও ‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড’ নেটওয়ার্কের সদস্যরা ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স স্কয়ারের কাছে এক বিক্ষোভে অংশ নেন। ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

গাজায় ‘গণহত্যা’ বন্ধের দাবিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্যাথলিক যাজক ও নানরা ভ্যাটিকানের দিকে মিছিল করেছেন।

মঙ্গলবার প্রায় ১৫০ জন যাজক ও ফ্রায়ার, একজন বিশপ এবং কয়েকজন নান মিছিলে অংশ নিয়ে সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার সামনে প্রার্থনা করেন।

মিছিলকারীরা ভ্যাটিকানের প্রধান সড়ক ধরে একটি ব্যানার নিয়ে এগিয়ে যান। ওই ব্যানারে ইসরায়েলের গাজা ও দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধে নিহত ৩০০ শিশুর নাম লেখা ছিল।

ছবি: এপি/ইউএনবি

এপির খবরে বলা হয়, মিছিলকারীরা ভ্যাটিকান সিটির সীমানায় প্রবেশ করেননি। ইতালীয় পুলিশের নিরাপত্তায় মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

‘প্রিস্টস এগেইনস্ট জেনোসাইড’ নামের একটি নেটওয়ার্ক এই সমাবেশের আয়োজন করে। এই নেটওয়ার্কটি ২০২৫ সালের আগস্টে গড়ে ওঠে। বর্তমানে পাঁচটি মহাদেশের ২ হাজার ৫০০-এর বেশি যাজক ও বিশপ এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মিছিলে ইতালির মানফ্রেদোনিয়ার বিশপ ফ্রাঙ্কো মস্কোনও অংশ নেন।

আরও পড়ুন

ভ্যাটিকানের কাছে প্রার্থনা শেষে বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিন ও লেবাননের দূতাবাসের দিকে যান। পরে তারা ইতালির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো স্পার রোম কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। গত বছরের কর্মসূচির তুলনায় এবার অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।

জাতিসংঘের একটি সংস্থার নিয়োগ করা বিশেষজ্ঞসহ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পোপ ফ্রান্সিসও একসময় গাজায় গণহত্যা হয়েছে কি না, তা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তবে ইসরায়েল এ অভিযোগ জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির দাবি, বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তারা চেষ্টা করে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হামাস যোদ্ধাদের অবস্থান এবং তাদের কার্যক্রমের কারণে বেসামরিক প্রাণহানি ঘটছে বলেও দাবি করে ইসরায়েল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এরপর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক ও যোদ্ধাদের আলাদা সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি; তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, নিহতদের প্রায় অর্ধেক নারী ও শিশু।

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad