শিরোনামটা একটু ধন্দ্বে ফেলে দিতে পারে আপনাকে। বাংলাদেশের ম্যাচে স্কটল্যান্ড কীভাবে হারে? উত্তরটা অবশ্য আপনার জানা আছে। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ খেলছে না শনিবার শুরু হওয়া আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তাদের বদলে আইসিসি ‘সি’ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করেছে স্কটল্যান্ডকে। শনিবার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাই বাংলাদেশের বদলে খেলেছে স্কটিশরা।
যে ম্যাচটা হতে পারত বাংলাদেশের বিপক্ষে, সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক-সহ পাঁচ উইকেটে স্কটিশদের একাই উড়িয়ে দিলেন রোমারিও শেফার্ড। তার দারুণ বোলিংয়ে উইন্ডিজের দেয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতে ১৪৭ রানে গুটিয়ে গেছে স্কটল্যান্ড। যদিও ৩৫ রানের ব্যবধানে জেতা এই ম্যাচে শেফার্ডকে ছাপিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ৩৬ বলে ৬৪ রান করা শিমরান হেটমায়ার।
রান তাড়ায় নেমে ৩৭ রানেই চার উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। এরপর ৭৮ রানের জুটি গড়েন রিচি বেরিংটন ও টম ব্রুস। লড়াই জমেছিল শুধু সেই জুটিতেই, যা ভেঙেছে জেসন হোল্ডারের আঘাতে। ম্যাচ থেকে কার্যত তখনই ছিটকে পড়ে স্কটিশরা। তবে ১৭-তম ওভারে শেফার্ড যা করে দেখালেন, তা বিশ্বকাপের ইতিহাসে লেখা থাকবে নিঃসন্দেহে।
সেই ওভারে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে টানা ফিরিয়েছেন ম্যাথু ক্রস, মাইকেল লিস্ক ও ওলিভার ডেভিডসনকে। প্রথম দুজন ফিরেছেন ক্যাচ তুলে, ডেভিডসন হয়েছেন বোল্ড। এটা টি-টোয়েন্টিতে শেফার্ডের দ্বিতীয় ও বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক। সব মিলিয়ে দশম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করলেন এই ডানহাতি পেসার। ক্যারিয়ারে প্রথম পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এক বল গ্যাপে সাফিয়ান শরীফকে ফিরিয়ে।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু ৫৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনার শাই হোপ ও ব্রেন্ডন কিং। এরপর হেটমায়ারের ৬ ছক্কা ও ২ চারে ৩৬ বলে ৬৪ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহের ভিত পায় উইন্ডিজ। শেষদিকে রভম্যান পাওয়েলের ১৪ বলে ২৪ ও শেরফেন রাদারফোর্ডের ১৩ বলে ২৬ রানের ইনিংসে সংগ্রহ পেরোয় ১৮০-এর ঘর। সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন ব্র্যাড কারি।


