রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আবারও পিছিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত এই প্রতিবেদনের জন্য ২৩ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করেছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই অনুপ কুমার দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘আজ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। পরে আদালত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করেছেন।’
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জানুয়ারি মামলার তদন্তে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ ১৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে সোহাগকে একদল ব্যক্তি পাথর ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরের দিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকেও আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ১৩ জন আসামি কারাগারে, ৮ জন পলাতক রয়েছেন।
নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।


