বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৪ সালের আসর সমালোচনায় জর্জরিত হয়েছে ফিক্সিং কাণ্ডে। ঢালাওভাবে বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রিকেটাররা ছিলেন সন্দেহভাজন। সেই ধারাবাহিকতায় ৯ জন ক্রিকেটারকে রাখা হয়নি এবারের বিপিএলের নিলামের তালিকায়। এদের মধ্যে এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম অন্যতম।
দ্বাদশ বিপিএলে ফিক্সিংয়ের মতো অপরাধ দমন করতে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় অ্যালেক্স মার্শালকে। যিনি এর আগে কাজ করেছেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের চেয়ারম্যান হিসেবেও। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই বৃহস্পতিবার এই কর্মকর্তা বলেছেন, কীভাবে ফিক্সিং হয় তার জানা আছে।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে বিপিএল। এর আগে ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের সাম্প্রতিক কর্মকান্ড ও কিছু নিয়মের খবর জানাতেই বিসিবির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত হয় এক সংবাদ সম্মেলন। সেখানে মার্শাল বলেন, ‘আমি জানি কীভাবে ফিক্সিং হয়। কী কী শব্দ ব্যবহার হয় সবই আমার জানা আছে। কীভাবে অ্যান্টি করাপশন কোড সবাই ভঙ্গ করছে, সেটাও আমি জানি। তো এবার বিপিএলে আইসিসির নিয়মের যথাযথ ব্যবহার আপনারা দেখতে পাবেন।’
এরপর ইন্টেগ্রিটি ইউনিটে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক ইভেন্ট দেখার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, কীভাবে মানুষ আইসিসির অ্যান্টি করাপশন কোড ভঙ্গ করছে। উদাহরণ হিসেবে বলি, যে ক্রিকেটাররা নিয়ম ভঙ্গ করতে চায়, তারা আগে একটা ইশারা করবে, সিগনাল দেবে। কাদের? যারা ম্যাচে বাজি ধরেছে।’
আরো একটা উদাহরণ দিয়ে মার্শাল বলেন, ‘ধরুন আমি বল করতে গেছি, ওভারের দ্বিতীয় বলেই ওয়াইড করলাম। সেটাই জুয়াড়িকে দেয়া আমার সিগনাল। কিংবা হঠাৎ করে দেখলেন আমি ব্যাটের গ্রিপের রঙ বদলে ফেলেছি, সেটাই আমার সিগনাল।’


