ফরিদপুরের নগরকান্দায় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের শংকর পাশা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য। তারা হলেন- আলমগীর হোসেন (৫৮), তার ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন (৬২), তাদের পিতা হাজী আব্দুল ওয়াহেদ মোল্যা, আলমগীর হোসেনের স্ত্রী খুশি বেগম (৪৫) এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫০)। তারা সবাই মাদারীপুরের মোস্তফাপুর সদর ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত আরেকজন অ্যাম্বুলেন্সের চালক কাউছার হোসেন (২২) মাদারীপুর জেলা সদর এলাকার শাহজান মাতুব্বরের ছেলে।
নিহতদের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, অসুস্থ আলমগীর হোসেনের চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের শংকরপাশা বাসস্ট্যান্ডে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নগরকান্দা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মরদেহ উদ্ধারে তাদের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও যোগ দিয়েছেন।


