রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে আলাদা তিনটি মামলায় ষষ্ঠ দিনে আরও তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রবিউল আলমের আদালতে সাক্ষীরা জবানবন্দি দেন।
তবে, আসামিরা পলাতক থাকায় সাক্ষীদের জেরা করতে পারেননি বলে জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খান মোহাম্মদ মঈনুল হাসান (লিপন)।
সাক্ষীরা হলেন, পৌর কর শাখার মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অফিস সহকারী রেশমা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পৌর কর শাখার রেভিনিউ সুপারভাইজার দেওয়ান মোহাম্মদ সাঈদ ও পৌর কর শাখার হিসাব রক্ষক উচ্চমান সহকারী তৈয়বা রহিম।
আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন- শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।
আদালত জানায়, ৩১ জুলাই এ মামলায় চার্জগঠন করে বিচার শুরু আদেশ দেন আদালত। চার্জগঠন শুনানির সময়ে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পৃথক তিন মামলায় শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে আলাদা ছয়টি মামলা দায়ের করে দুদক।


