প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত রাখতে নোটিশ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত রাখতে নোটিশ
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লোগো। ছবি: বাসস
Advertisement
Advertisement

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্যমূলক দফা বাতিল করে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীর মেধাভিত্তিক সমান সুযোগ নিশ্চিতের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে ই-মেইলে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের জন্য একটি নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। নীতিমালায় ৮০ শতাংশ বৃত্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বৃত্তি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একটি জাতীয় মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৈষম্য সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে নীতিমালার দফা ৮ দশমিক ৬ অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পৃথকভাবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে, ফলে একক মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়েছে।

এ ধরনের বিধান সংবিধানের সমতা ও বৈষম্যবিরোধী নীতির পরিপন্থী। বর্তমান নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের ধরনের (সরকারি এবং বেসরকারি) ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বিভাজন করা হয়েছে তা অযৌক্তিক, বৈষম্যমূলক ও স্বেচ্ছাচারী। আমাদের সংবিধান এই ধরনের স্বেচ্ছাচারী বিভাজন সমর্থন করে না।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad