জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদকে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে গ্রেড-১ পদমর্যাদায় তাকে এক বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিতে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।
নিয়োগের শর্তানুযায়ী, অন্য যেকোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করে তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
সৈয়দ আবদাল আহমদ বর্তমানে দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক এবং কিশোর মাসিক ‘টুনটুনি’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে কর্মরত।
পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপ-প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়া, দুইবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন।
১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও তার শিক্ষাজীবন কেটেছে হবিগঞ্জে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৮২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সেখানে বিভিন্ন পদে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল ও সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছেন।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৯ সালে ফিলিপস পুরস্কার ও এসকাপ-এফইজেবি পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া, ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি তাঁকে আজীবন সম্মাননা দেয়।
বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য সৈয়দ আবদাল এ পর্যন্ত ২০টিরও বেশি বই লিখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া, ‘কিংবদন্তির জিয়া’, মহান ভাষা আন্দোলন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, চিরকালের ছড়া কবিতা, জলবায়ু পরিবর্তন, জলচর আদুরে প্রাণী ডলফিন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, টুনটুনির গল্প, বিজয় ও স্বাধীনতা।


