প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় পৌঁছেছেন। সোমবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বগুড়ায় পৌঁছালে জুবাইদা রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় কাটাবেন। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। যাবেন নিজের পৈত্রিক বাড়িতেও। বিকালে রয়েছে বিএনপি আয়োজিত জনসভা। এসব কর্মসূচি শেষ করে রাতে আবারও সড়কপথে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম বগুড়া সফর।
এ সফরের মধ্য দিয়ে অনেকগুলো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে এগিয়ে যাবে সরকার। এ ছাড়া নানা কর্মসূচির পাশাপাশি দীর্ঘ ১৯ বছর পর তার পৈতৃক বাড়ি গাবতলীর বাগবাড়ীতে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তাই তার এ সফর অনেকটা আবেগেরও।
সফরসূচি অনুযায়ী, বেলা ১১টার দিকে তিনি জেলা জজকোর্টে অনলাইনে বেইলবন্ড কার্যক্রম ও বার সমিতির নবনির্বাচিত ভবনের উদ্বোধন করবেন। পরে বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করবেন।
এ ছাড়া তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে নিজ পৈতৃক ভিটায় গিয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, শহীদ জিয়া গ্রাম হাসপাতাল পরিদর্শন এবং খালকাটা কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে বিকাল ৪টায় শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। এরপর তিনি বগুড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবন ও বাইতুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
ফেরার পথে তিনি বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-তে স্বল্পকালীন যাত্রাবিরতি করবেন। রাত ১১টায় তিনি ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


