লন্ডনে নির্বাসিত থাকা অবস্থায় তারেক রহমানকে ট্রফি দিয়ে তার কাছে থেকে নির্বাচনের তারিখ আনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন। কারণ, তিনি প্রকৃত ক্যাপ্টেন চেনেন।’
সংসদের অধিবেশনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপি এমন একটি সংগঠন যারা দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনকেই ধারণ করে এবং তিনটি আন্দোলনের ট্রফিই তাদের ঘরে আছে।
বিরোধী জামায়াত জোটকে একাত্তরের বিরোধিতাকারী হিসেবে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলের ঘরে কিন্ত একাত্তর ও নব্বইয়ের ট্রফি নেই। ১৯৭১, ১৯৯০ এবং জুলাই-আগস্ট; তিনটি আন্দোলনই আমাদের ঘরে। এ রকম ট্রফি অন্য রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখাতে পারবে না।’
‘আওয়ামী লীগ একাত্তর বলতে পারবে, নব্বই বলতে পারবে। জুলাই-আগস্টের ট্রফি কিন্তু তাদের ঘরে নাই। বিরোধী দলের বন্ধুরা জুলাই-আগস্ট বলতে পারবে, একাত্তর এবং নব্বইয়ের ট্রফি কিন্তু তাদের ঘরে নাই’, যোগ করেন তিনি।
‘জামায়াত ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে গিয়েছিল’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল হইচই করে নব্বইয়ে তাদের (অবদানের) কথা বলতে পারে, কিন্তু ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ঢাকঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে গিয়েছিল, আমরা যাইনি।’
‘দেশের যোগ্য ‘ক্যাপ্টেন কে’ সে প্রশ্নের সমাধান অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতই করে দিয়েছিলেন’ দাবি করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) এক নেতা বাইরে বক্তৃতায় বলেছেন জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতা খেলেছে আর ট্রফি বিএনপি নিয়ে বসে আছে। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতা সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম। ট্রফি আমরা কারও কাছে নিতে যাইনি। ক্যাপ্টেন কে এটা মুহাম্মদ ইউনূস চেনেন।’


