পুরান ঢাকায় তারিক সাইফ মামুন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি পিস্তল উদ্ধারের পাশাপাশি দুই শ্যুটারসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার রাতে ডিএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে ডিবি পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, মামুন হত্যাকাণ্ডে জড়িত ফারুক, রবিন ও রুবেল নামে তিনজনকে নরসিংদী থেকে আটক করা হয়েছে।
এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি পিস্তল এবং ৬ রাউন্ড গুলিও ঢাকার রায়ের বাজার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল।
সূত্রাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামুন হত্যায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তার পরিবারের সদস্যরা দাফন শেষে ঢাকায় ফিরলে তাদের মামলা করার কথা রয়েছে।
এর আগে, সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তারিক সাইফ মামুনকে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পুরোনো এক মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে মামুনকে সন্ত্রাসীরা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ‘দুপুর ১২টার পর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মামুনকে ঢামেকে আনা হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’
পুলিশের ভাষ্য, নিহত মামুন ছিলেন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং ‘ইমন-মামুন গ্রুপ’-এর অন্যতম প্রধান। একসময় তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মল্লিক আহসান সামী বলেন, ‘নিহত মামুন হচ্ছেন সেই “ইমন-মামুন” গ্রুপের মামুন। একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবেই পুলিশের খাতায় তার নাম ছিল।’


