গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বর্বরোচিত হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মশাল মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে আবারও কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান বলেন, ‘সরকার ভিপি নুরুল হক নুরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার কথা বললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বরং সরকার গড়িমসি করে এক ধরনের প্রতারণা করেছে। যারা হামলা করেছে, তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। সরকারের এই প্রতারণামূলক আচরণের জন্য আমরা মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দলীয় ও পারিবারিকভাবে ভিপি নুরুল হক নুরকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাবো। ইতোমধ্যে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে, সরকারের কাছে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না এলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে নামব।’
যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন বলেন, ‘নুরুল হক নুর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জীবন্ত কিংবদন্তি। নুর এক ধরনের প্রতিষ্ঠান, এক ইতিহাস। নুরের ওপর হামলার বিচার না হওয়া মানে সরাসরি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তের সঙ্গে বেইমানি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যখন আওয়ামী লীগ সরকার মুহাম্মদ ইউনূসকে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছিল, তখন গণঅধিকার পরিষদ রাজপথে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিল। যখন ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসিফ নজরুলের ডিপার্টমেন্টে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল তখন নুরুল হক নুর তার নেতৃত্বে সেই তালা ভেঙে দিয়েছিলেন। অথচ, নুরুল হক নুর যখন হামলার শিকার হলেন, তখন তার বিচার করেনি অন্তর্বর্তী সরকার।’
বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, যুব অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সবুজ সেরনিয়াবাত, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন নুর, মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি হিরণ শেখ, মহানগর দক্ষিণ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন এবং শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান প্রমুখ।


