প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের বর্তমান কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি কোহলার।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা ও অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের পর যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেলস’-এর কথা স্মরণ করেন।

মার্কিন কমান্ডার বিভিন্ন নৌমহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে ‘কোঅপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (ক্যারাট)’ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও জানান, সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘সি ভিশন এক্সারসাইজ’-এ বাংলাদেশ অংশ নিয়েছে। ভবিষ্যতে নিয়মিত আয়োজিত ‘রিম অব দ্য প্যাসিফিক (রিমপ্যাক)’ মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করেন তিনি।
বৈঠকে ‘জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (জিসোমিয়া)’ নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যুগোপযোগী ও বিস্তৃত সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহও প্রকাশ করা হয়।

অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি কোহলার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে।’
তিনি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


