দণ্ডিতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু: চিফ প্রসিকিউটর

দণ্ডিতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু: চিফ প্রসিকিউটর
ছবি: বাসস
Advertisement
Advertisement

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও আদালতের দেওয়া জরিমানা আদায়ের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই পলাতক। গ্রেপ্তার, আত্মসমর্পণ বা দেশে ফিরিয়ে আনা না গেলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব নয়।

তবে দণ্ডিতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও আর্থিক জরিমানা আদায়ে তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে জানান তিনি।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের বিচার শেষ হয়েছে, তাদের অর্থনৈতিক জরিমানা কার্যকরের প্রক্রিয়া কিছুদিনের মধ্যেই শুরু করব।’

তিনি জানান, যেসব দণ্ডিতের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ রয়েছে বা ১ থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, তারা পলাতক থাকলেও আদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ইতিহাসে দণ্ডিত আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তা বিক্রি করে শহীদ পরিবারের মধ্যে অর্থ বিতরণের নজির নেই। আইন পর্যালোচনা করে এবার সেই প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় প্রসিকিউশন।

আরও পড়ুন

তবে তিনি জানান, ট্রাইব্যুনালের ‘রুলস অব প্রসিডিউর’-এ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। অন্য কোনো আইন প্রয়োগ করে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যালোচনা চলছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মামলাগুলোর বিচার সম্ভাব্য এক বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যেও কাজ করছে প্রসিকিউশন। আমিনুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত ছয়টি মামলার বিচার শেষ হয়েছে। এর মধ্যে তার দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনটি এবং পরে তিনটি।

তিনি বলেন, ‘এক থেকে দেড় বছরে ছয়টি মামলার বিচার আন্তর্জাতিক মান, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখেই শেষ হয়েছে। এর চেয়ে বেশি তাড়াহুড়া করলে বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।’

তিনি আরও জানান, জুলাইয়ের মামলাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করে সম্ভাব্য এক বছরের মধ্যে সব মামলার বিচার শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে সংঘটিত তিন হাজারের বেশি ক্রসফায়ারের ঘটনায় হওয়া মামলাগুলোর তদন্তও এগিয়ে চলছে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্য’ প্রচারে ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। তবে তার স্বাভাবিক বক্তব্যের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad