বিএনপির নমিনেশন পেলে এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার বিকালে চট্টগ্রাম বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে এক বৈঠক তিনি এই কথা বলেন। বৈঠকে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।
বৈঠকে উপস্থিত মনোনয়নপ্রত্যাশী একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘দলের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাদের বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সবাইকে নমিনেশন দেওয়া সম্ভব নয়। যাকে দেওয়া হবে সবাই মিলে তার জন্য ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। যিনি নমিনেশন পাবেন তিনি এলাকায় একটি মিষ্টিও বিতরণ করতে পারবেন না।’
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি হিসেবে রোববার রাজধানীর গুলশানে বসে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বিকালে শুরু হওয়া এই বৈঠকে অংশ নেন চট্টগ্রামের ১৬টি আসনসহ বিভাগের মোট ৩৬টি আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্যাগী ও নবীন নেতাদের সমন্বয়ে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। রাউজান ও মীরসরাইয়ের মতো স্পর্শকাতর আসনে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে প্রার্থী বাছাই করা হবে।
সূত্র বলেছে, গত এক বছরে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রায় ৫০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী তৎপরতা চালিয়েছেন। আজকের বৈঠকে ডাকা হয় ৪৫ জনকে। এদের মধ্যে থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা গঠন করা হবে। রাউজান ও মীরসরাইয়ের মতো জটিল এলাকায় দলীয় ঐক্য ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিবেচনা করে কঠোর মনোভাব নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম-২ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী উত্তর জেলা বিএনপির নেতা সরওয়ার আলমগীর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি। এই বৈঠক ছিল আমার জন্য ভাগ্যের পরীক্ষা। দল যদি সুযোগ দেয়, আমি চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত।
সন্দ্বীপ আসনের প্রার্থী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে জয়ী হতে হলে দলের ঐক্য অপরিহার্য। আমি মনোনয়নপ্রত্যাশী, তবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে কাজ করব। আশা করি তারেক রহমান অতীতের ত্যাগের কথা মাথায় রেখে আমাকে মূল্যায়ন করবেন।’


