জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আইনি ভিত্তির জন্য আগামী নভেম্বরে গণভোট চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার দুপুরে দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সাথে সাক্ষাৎ করে এমন প্রস্তাব দিয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াত নেতা তাহের বলেন, ‘ফ্রেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের আগেই আমরা এই ভোট চাই।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অতীতে বহুবার ১৭ দিন, ২১ দিনের প্রস্তুতিতে গণভোট হয়েছে। কাজেই নির্বাচন কমিশন এখনো প্রায় দুই মাসের প্রস্তুতি নিতে পারবে।’
তিনি জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আইনি ভিত্তির জন্য গণভোটের বিষয়ে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল একমত। তবে তাদের দল গণভোট নির্বাচনের আগেই চায়।
এর কারণ ব্যাখ্যায় তাহের বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট হলে, জাতীয় নির্বাচনই প্রাধান্য পায়, গণভোটের গুরুত্ব কমে যায়।’
‘এছাড়া কোনো কারণে কোনো ভোট কেন্দ্র দখল হলে দুটি ভোটই বাতিল হয়ে যাবে। তখন “আমও গেল, ছালাও গেল”, যোগ করেন তিনি।
জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মো. তাহের আরো জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে তারা সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতির প্রচলনের প্রস্তাব করেছেন।
তিনি বলেন, ‘পিআর চালু হলে ভোটকেন্দ্র দখল বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা কমিশনকে অনুরোধ করেছি ট্রেডিশনাল (প্রচলিত) পদ্ধতির বাইরে পিআর পদ্ধতি বাস্তনের কথা বিবেচনা করতে।’
তাহের জানান, এছাড়া তাদের আলোচনায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচন কর্মকর্তা নিয়োগে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা ইত্যাদি বিষয় এসেছে।


