নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ৮ দল। একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন না করারও দাবি তুলেছে তারা।
৫ দফা দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়ে একথা জানিয়েছে দলগুলো।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস সমমনা আট দলের প্রতিনিধিরা স্মারকলিপি জমা দেন। এসময় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর ৫ দফা দাবি হলো- জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি করে আগামী নভেম্বরের মধ্যে গণভোট আয়োজন করা, জাতীয় নির্বাচনে উভয়কক্ষে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালু করে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং ‘স্বৈরাচারের দোসর’ জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করতে হবে। জাতীয় নির্বাচন আর গণভোট একদিনে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়টি স্মারকলিপিতেও রয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, কোনো কোনো দল সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী আনার পরামর্শ দিলেও সংশোধিত আরপিও হুবহু বহাল রাখতে হবে।
এছাড়া নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিন নভেম্বর নতুন কর্মসূচি ঘোষণার পরিকল্পনা জানিয়ে আব্দুল হালিম বলেন, ‘আজকে আমরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কোনো আল্টিমেটাম দেইনি।’
জুলাই চেতনার পরিপন্থী কাজে সম্পৃক্তরা জনগণের কাছে নিগৃহীত হবে মন্তব্য করে তিনি জানান, গণভোট আগে না করলে জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।
স্মারকলিপি জমা দেওয়া দলগুলো হলো- জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামী ইসলামী পার্টি, খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি।


