হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় এবার এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছে বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃৃহস্পতিবার রাতে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রুকন বাদী হয়ে অভিযোগটি দাখিল করেন বলে জানান জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান।
অভিযোগের অন্যান্য আসামীরা হলেন, এনসিপির হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক, জাতীয় শক্তি হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক নুর আলম চৌধুরী, ফকরুদ্দিন জাকি, মো. আব্দুল হাই কামাল ও রুহাম গাজী।
অভিযোগে বলা হয়, গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ রিপন শীলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শোকসভায় অংশ নিতে নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জ পৌরসভার কোর্ট মসজিদের সামনে জড়ো হন। এ সময় এনসিপির মুুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্যান্য আসামীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্রদলের ওপর হামলা চালায়। এতে জেলা ছাত্রদলের নেতা মাহফুজ চৌধুরী ও মোজাক্কির হোসেন ইমনসহ কয়েকজন আহত হন।
শুধু তাই নয়, আসামীরা হামলা চালিয়ে বাদিসহ ছাত্রদল নেতাদের ৪টি আইফোন ও অর্থকড়ি ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর এনসিপির নেতারা হামলা করেছেন এবং কয়েকটি আইফোনসহ অর্থকড়ি ছিনিয়ে নেয়। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এখনও মামলা রেকর্ড হয়নি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


