বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করে বহিষ্কারের পর বিশ্বববিদ্যালয়ের চার স্টাফকে মারধর করে করেছে এক পরীক্ষার্থী। বহিষ্কারের পর কন্ট্রোল রুমে আনার সময় স্টাফদেরকে মারধর করে ওই পরীক্ষার্থীকে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশে সোপর্দ করে।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১০৫ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত স্টাফদের বরিশাল শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত ওই পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর ১৯৯৮৬০।
মারধরে আহতরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন, উজ্জ্বল ও লোক প্রশাসন বিভাগের অফিস সহায়ক সুজিত বালা।
আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, ‘এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কারের পর সে উপস্থিত স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে আমি সেখানে গিয়ে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকেও মারধর করে। এতে আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।’
বরিশাল মহানগরের বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় বহিষ্কার হওয়া এক পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার স্টাফকে মারধর করে আহত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে আমাদের কাছে তুলে দিয়েছে। পরবর্তীতে আইনী প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, ‘পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় কক্ষ পরিদর্শক এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কারের পরে কন্ট্রোল রুমে নেওয়ার সময় সে আমাদের সিকিউরিটি শাখার চারজন স্টাফকে মারধর করে আহত করেছে, এরমধ্যে কয়েকজন মেডিক্যালে ভর্তি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বরত পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে আইন অনুসারে পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একই দিনে আরও এক নারী পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়।


