নড়াইলের লোহাগড়ায় ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে লোহাগড়া হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মাটিয়ডাঙ্গা গ্রামে সরদার গ্রুপ ও মুন্সি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্যার ছেলের সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ইউপি সদস্য কালাম মুন্সির ছেলের কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের নারীরা ঝগড়া ও মারামারি করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর সমর্থিত নিয়ামত সরদার গ্রুপের সঙ্গে কালাম মুন্সির গ্রুপের লোকের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর বিষয়টি মীমাংসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে লুঠিয়া বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন সালিশ বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু দুই পক্ষের লোকজন সালিশ বৈঠকে না বসে রাত ১২টার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মিজানুর মুন্সি, ইজাজুল মুন্সি, আজিজুল মুন্সি, হানিফ সরদার, খাজা সরকার, আজাদ সরদার, রবিউল ইসলাম, বাচ্চু মোল্যা, আহাদ মোল্যা, রাফেজা বেগম, আমেনা বেগম, সিমা খানম ও সাইদুর সরদার আহত হন। এ ছাড়াও সংঘর্ষের সময় আট থেকে ১০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


