বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা–৮ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, কুৎসা রটিয়ে, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এবং ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না।
রোববার রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু দল ধরে নিয়েছে তারা নিশ্চিতভাবে পাশ করে যাবে, কিন্তু জনগণ জানতে চায় তারা এই শক্তি কোথায় পায়।
এদিন বিকালে তিনি আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ গ্লোব নিবাস এবং নাভানা বিল্ডিংয়ের পাশে উঠান বৈঠক করেন। রাতে তিনি পিডব্লিউডি স্টাফ কোয়ার্টারের ভেতরে গণসংযোগ করেন এবং পরে মিলন মেলায় অংশ নেন।
নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশ ভালো নয়। আচরণবিধিতে আক্রমণাত্মক বা উসকানিমূলক বক্তব্য নিষিদ্ধ থাকলেও তার বিরুদ্ধে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং তাকেই টার্গেট করা হচ্ছে। মিথ্যাচারকারীদের ইহকাল ও পরকালে জবাব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে নজর দেওয়া নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি কমিশনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার এলাকায় প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ভোটারের মধ্যে অর্ধেক ভোটার পাওয়া যাচ্ছে না। এই ভোটাররা কারা-তা স্পষ্ট নয়। এ অবস্থায় ভোটার তালিকা যাচাই করে অনুপস্থিত ভোটার বাতিলের দাবি জানান তিনি; তা না হলে প্রকৃত ফল আসবে না বলে মন্তব্য করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, কর্মজীবী নারীদের নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী একটি দলের শীর্ষ নেতার অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য তিনি মুখে আনতে চান না।
তিনি বলেন, ধর্মে কোথাও লেখা নেই যে নারীরা কাজ করতে পারবে না; বরং নারীদের সমঅধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি ওই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান এবং নারী সমাজকে এসব দলের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি জানান, গণমাধ্যম অনেক সময় তাদের বিরুদ্ধেও লিখেছে, তাতে তারা আপত্তি করেননি। কারণ, তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন।


